Our Brahmanbaria (আমাদের ব্রাহ
com.techsajib.amaderbbaria
View detailed information for Our Brahmanbaria (আমাদের ব্রাহ — ratings, download counts, screenshots, pricing and developer details. See integrated SDKs and related technical data.
Screenshots
Description
বাংলাদেশের সাংস্কৃতিক রাজধানী হিসেবে পরিচিত ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার রয়েছে শত বছরের পুরাতন নিজস্ব ইতিহাস, ঐতিহ্য ও সংস্কৃতি। বাংলার বারো ভুঁইয়াদের প্রধান ঈসা খাঁ বাংলায় প্রথম এবং অস্থায়ী রাজধানী স্থাপন করেন ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার সরাইলে। আর এই সরাইলকে কেন্দ্র করে গড়ে উঠে ঐতিহ্যবাহী তিতাস-বিধৌত ব্রাহ্মণবাড়িয়া। ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা হিসেবে আত্মপ্রকাশ করে ১৯৮৪ সালের ১৫ ফেব্রুয়ারি।
ব্রিটিশবিরোধী আন্দোলন, ভাষা আন্দোলন, মহান মুক্তিযুদ্ধ সবকয়টি ক্ষেত্রে এই জেলার অবদান ইতিহাস স্বীকৃত। ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় ১৯০৫ সালে বঙ্গভঙ্গকে কেন্দ্র করে স্বদেশী আন্দোলন শুরু হলে এর নেতৃত্ব দেন ব্রিটিশবিরোধী আন্দোলনের অন্যতম বিপ্লবী উল্লাস কর দত্ত, যাকে ব্রিটিশরা ফাঁসির রায় ও পরে আন্দামানে দ্বীপান্তরিত করেছিল। বিপ্লবী উল্লাস কর দত্ত ছাড়াও ব্রিটিশ বিরোধী আন্দোলনের অন্যতম বিপ্লবীদের মাঝে অখিলচন্দ্র নন্দী, অতীন্দ্রমোহন রায়, গোপাল দেব, নৃপেন্দ্র দত্ত রয়, রবীন্দ্রমোহন নাগ, শান্তি ঘোষ, সুনীতি চৌধুরীর মত বিপ্লবীদের জন্মস্থান এই ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলায়।
বায়ান্নর ভাষা আন্দোলনের অন্যতম ভাষা সৈনিকদের মাঝে অলি আহাদ, আহমেদ আলী, ধীরেন্দ্রনাথ দত্ত, মহিউদ্দিন আহমাদ, শেখ আবু হামেদের মত মহান নেতাদের জন্মস্থান এই ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলায়। মহান মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম সংগঠক আবদুল কুদ্দুস মাখনের জন্মস্থান এই ব্রাহ্মণবাড়িয়ায়। ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আখাউড়া বন্দর বাংলাদেশের অন্যতম বৃহত্তম স্থলবন্দর আর মুক্তিযুদ্ধে এই বন্দরের ভূমিকা ও ব্যবহার অন্যতম উল্লেখযোগ্য। এই জেলায় অনেকগুলো মুক্তিযোদ্ধাদের গণকবর রয়েছে। ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আখাউড়ার মাটিতে শুয়ে আছে ৭ বীরশ্রেষ্ঠের একজন, বীরশ্রেষ্ঠ মোস্তফা কামাল। বীর উত্তম খেতাবপ্রাপ্ত বীর মুক্তিযোদ্ধা আনোয়ার হোসেন, বীর প্রতীক খেতাবপ্রাপ্ত আবদুর রহমান, বীর প্রতীক মনির আহমেদ খান, বীর প্রতীক মোফাজ্জল হোসেন, বীর প্রতীক আবু সালেক, বীর বিক্রম খেতাবপ্রাপ্ত আবু সালেহ মোহাম্মদ নাসিম, বীর বিক্রম শামসুল হক, বীর বিক্রম শাহজাহান সিদ্দিকীদের জন্মস্থান এই ব্রাহ্মণবাড়িয়ায়। এছাড়াও মুক্তিযুদ্ধের ২ ও ৩ নং সেক্টরের গেরিলা উপদেষ্টা লুৎফুল হাই সাচ্চুর জন্মভূমি এই মাটিতেই।
তৎকালীন পাকিস্তানের অষ্টম প্রধানমন্ত্রী এবং পাকিস্তানের একমাত্র উপ-রাষ্ট্রপতি নুরুল আমিনের জন্মস্থান ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার সরাইল উপজেলার শাহবাজপুরে। ব্রিটিশ ভারতীয় রাজনীতিবিদ এবং আইনজীবি আবদুর রসুল, ব্রিটিশ ভারতীয় মুসলিম রাজনৈতিক নেতা নবাব সৈয়দ শামসুল হুদা, অক্সফোর্ডের পিএইচডিধারি ডক্টর অবিনাশ চন্দ্র সেন, জাতীয় অধ্যাপক কবীর চৌধুরী, ইতালিয়ান চলচ্চিত্র অভিনেতা পায়েল ঠাকুর, যুক্তরাষ্ট্রের এফডিএ এর বিজ্ঞানী তাহের খান, মহাকাশ গবেষক আবদুস সাত্তার খানদের জন্মভূমি এই ব্রাহ্মণবাড়িয়ায়।
এই মাটিতে জন্ম নেন ঈসা খাঁ, ফখরে বাঙ্গাল (রহঃ), মাওলানা সিরাজুল ইসলাম (রহঃ), মুফতি ফজলুল হক আমিনী (রহঃ), খ্যাতিমান সঙ্গীতজ্ঞ ওস্তাদ আলাউদ্দিন খাঁ, আলী আকবর খান, আয়েত আলী খাঁ, আবেদ হোসেন খাঁ, মোবারক হোসেন খাঁ, মীর কাশেম খাঁ, বাহাদুর হোসেন খাঁ, নবাব সৈয়দ শামসুল হুদা, ব্যারিস্টার আবদুর রসুল, উল্লাসকর দত্ত, নুরুল আমিন, অদ্বৈত মল্লবর্মণ, কবি আল মাহমুদ, গভর্নর সালেহউদ্দিন আহমেদ, মেজর জেনারেল শাকিল আহমেদ, কর্ণেল গুলজার উদ্দিন আহমেদসহ আরও অসংখ্য খ্যাতিমান ব্যক্তিত্বের জন্মস্থান এই ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা।
অর্থনৈতিক বাংলাদেশ গঠনে ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার অবদান অনস্বীকার্য। বাংলাদেশের মোট গ্যাসের এক-তৃতীয়াংশ গ্যাস সরবরাহ করা হয় ব্রাহ্মণবাড়িয়া থেকে। বাংলাদেশের দ্বিতীয় বৃহত্তম বিদ্যুৎ উৎপাদনকেন্দ্র হচ্ছে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আশুগঞ্জ তাপ বিদ্যুৎকেন্দ্র ও বাংলাদেশের বৃহত্তম ইউরিয়া সার কারখানা হচ্ছে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আশুগঞ্জ ফার্টিলাইজার। এছাড়াও প্রবাসীদের পাঠানো রেমিট্যান্সের শীর্ষে যেকয়টি জেলা রয়েছে এরমাঝে ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা একটি।
আর এই ঐতিহ্যবাহী তিতাস-বিধৌত ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলাকে সকল মানুষের সামনে তুলে ধরার জন্য 'আমাদের ব্রাহ্মণবাড়িয়া' এপটি বানানো হয়েছে। এই এপটি মূলত ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার ডিজিটালাইজেশন। এই এপ থেকে ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার যাবতীয় নির্ভরযোগ্য তথ্য পাওয়া যাবে।
ফিচারসমূহঃ
✦ রক্তের সন্ধান ও সংগ্রহ
✦ জেলা সম্পর্কিত তথ্য
✦ উপজেলা সম্পর্কিত তথ্য
✦ সাংসদদের তথ্য
✦ জনপ্রতিনিধিদের তথ্য
✦ কৃতি ব্যক্তিত্ব
✦ শিক্ষা সম্পর্কিত তথ্য
✦ হাসপাতাল সম্পর্কিত তথ্য
✦ ডাক্তারদের তথ্য
✦ থানা ও পুলিশ
✦ ফায়ার সার্ভিস
✦ যোগাযোগ ব্যবস্থা
✦ পর্যটন সম্পর্কিত তথ্য
✦ হোটেল সম্পর্কিত তথ্য
✦ ব্যাংক সম্পর্কিত তথ্য
✦ বিভিন্ন অফিসের তথ্য
✦ সামাজিক সংগঠন
✦ লোকাল পত্রিকা সম্পর্কিত তথ্য
✦ পাঠাগার সম্পর্কিত তথ্য
✦ পোস্টালের তথ্য
✦ গ্যালারি